মোটিভেশনাল গল্প ২০২৩

অনুপ্রেরণামূলক ছোট গল্প। মোটিভেশনাল গল্প ২০২৩

আমাদের জীবনে এগিয়ে যেতে আমরা সব সময় চেষ্টা করতে থাকি। কিন্তু কিছু কিছু সময় আমরা ক্লান্তি ব্যর্থতা বা হবো সাথে ভুগতে থাকে। তখন কিছু মোটিভেশনাল গল্প বা অনুপ্রেরণামূলক ছোট গল্প পড়লে সেটি আমাদেরকে সাহস এবং মানসিক শক্তি সংগ্রহ করে দেয়। তাহলে শুরু করছি অনুপ্রেরণামূলক ছোট গল্প ২০২৩

মোটিভেশনাল গল্প ২০২৩

মোটিভেশনাল গল্প বলতে যেটা আমাদেরকে ভিতর থেকে শক্ত করে তুলে বা আমাদের ক্লান্তি থেকে খুব সহজে মানসিক ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে সেটিকে বোঝানো হয়ে থাকে। তাহলে শুরু করছি মোটিভেশনাল গল্প ২০২৩

more https://graphicsbid.com/motivational-stories-bangla-2/

শিক্ষামূলক গল্প : বন্ধু

মরুভূমির মধ্য দিয়ে দুজন বন্ধু যাচ্ছিল। চলার সময় বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলছিল। কথা বলতে বলতে কোন এক পর্যায়ে প্রথম বন্ধুটি তার দ্বিতীয় বন্ধুকে থাপ্পড় মেরে বসলো। দ্বিতীয় বন্ধুটি কষ্ট পেল তবুও তার বন্ধুকে কিছুই বলল না। পরে সে লিখতে লাগল:-

আমার সব থেকে ভালো বন্ধু আজ আমাকে থাপ্পড় মেরেছে

তারপর তারা আবার হাঁটা শুরু করল এবং মরুদানের সামনে এসে তারা উপস্থিত হল। তারা ঠিক করল পানিতে গোসল করবে। কিন্তু হঠাৎ করে যে বন্ধুটি থাপ্পড় খেয়েছিল সেটা চোরাবালিতে পড়ে যায় এবং ঢুকতে শুরু করে। তারপর তার প্রথম বন্ধুটি তাকে সাহায্য করলো এবং সে উঠলো। পূর্বের মতো এখনো সে পাথরে লিখতে শুরু করল:-

আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু আজ আমার প্রাণ বাঁচিয়েছে।

লেখাটি দেখে প্রথম বন্ধু তাকে জিজ্ঞেস করল:-

যখন মারলাম তখন তুই বালিতে লিখেছিস, এখন তোকে বাঁচালাম তুই পাথরে লিখছিস কেন?

তখন তার দ্বিতীয় বন্ধুটি উত্তর দিল থাকে:-

” যখন আমাদেরকে কেউ কষ্ট দেয় তখন বালিতে লেখা উচিত যাতে ভালোবাসা ও মায়ার বাতাসে তা সহজে মুছে যায়। কিন্তু যখন কেউ আমাদেরকে উপকার করে তখন পাথরে খোদাই করে রাখা উচিত কারণ সেটা সহজে মুছে যাবে না বা কেউ বুঝতে পারবে না।”

অনুপ্রেরণামূলক গল্পের নীতিকথা

নিজেদের মধ্যে অনেক ছোট ছোট ঝগড়া বিবাদ হতেই পারে কিন্তু তার মনে বেঁধে রাখলে চলবে না। কেননা বড় বিপদের সময় কাছের বন্ধুরাই সবার আগে ছুটে আসে।

মোটিভেশনাল গল্প : নিজের মূল্য ভুলে যাবেন না।

একজন মোটিভেশনাল স্পিকার সবার উদ্দেশ্যে কিছু বক্তব্য রাখবেন একটি সেমিনারে। তারপর তিনি তার পকেট থেকে একটি 50 ডলার লোড বের করে উপস্থিত কোন একজনকে দিতে চান বলে ঘোষণা দেন।

কেউ ফিরিয়ে নিতে আগ্রহে কিনা সেটাও তিনি জানতে চান। উত্তরে উত্তর সেমিনারের প্রায় সবাই হাত তুলেছে সেটি নেওয়ার জন্য। এমন অবস্থা দেখে মোটিভেশনাল স্পিকার হাতের মুঠি নিয়ে মুড়িয়ে ফেললেন।

এ কাজটি করার পর তিনি আবার সবাইকে জিজ্ঞেস করলেন এখন কি আপনার নিতে চান?? উত্তরে আগের মতই সবাই হাত তুলল।

এখন ওই মোটিভেশনাল স্টিকার লোকটিকে ফ্লোরে ফেলে ধুলা লাগাতে শুরু করলে। তারপরে আবার আগের মত সবাইকে প্রশ্ন করলেন এবার কি কেউ নিতে চাও?? কখনো প্রায় সবাই হাত তুলল।

তখন মোটিভেশনাল বক্তা বলতে শুরু করলেন নীতি হলো কুঁচকানো এবং ময়লাযুক্ত তবু আপনার আইডি নিতে এত আগ্রহ কেন?? উত্তরে জনতা বলল টাকা ময়লা বা কুচকানো হলেও এর দাম কখনো কমে যায় না।

তখন সবাইকে উদ্দেশ্য করে মোটিভেশনাল স্পিকার বলেন মানুষের জীবনে অনেক জর্জেট আসে কিন্তু মানুষের জীবন এর থেকে আরও অনেক বেশি মূল্যবান।

ছোট গল্পের নীতিকথা

মানুষের জীবন মূল্যবান, সেটি সর্ব অবস্থা তেমন।

মোটিভেশনাল গল্প : দুশ্চিন্তা ধরে রেখো না

একদিন শিক্ষক একটি ক্লাসে অর্থপূর্ণ একটি পানির গ্লাস নিয়ে ঢুকলেন। তিনি সকল ছাত্র-ছাত্রীদের কে উদ্দেশ্য করে একটি প্রশ্ন করলেন: গ্লাসটি কোন অবস্থায় আছে বলতো??

তারপর আবার প্রশ্ন করলেন বলতো এখানে কতটুকু পানি আছে। তখন শিক্ষার্থীরা টিচারকে জবাব দিল সাত থেকে ত্রিশ আনসের মধ্যে হবে।

তখন তিনি বললেন কতটুকু পানি আছে সেটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় না, কতক্ষণ যাব সেটা নিয়ে ধরে আছি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। তোমরা যদি এক গ্লাস পানি হাতে নাও সেটা কোন ওজন মনে হবে না। কিন্তু যদি এক গ্লাস পানি ১০ মিনিট যাবত হাতে ধরে রাখো তাহলে সেটা অনেক বেশি ওজন অনুভব হবে।

ঠিক তেমনি আমাদের মানসিক চিন্তা যখন আসে সেটা যত বেশি সময় নিয়ে ভাবা যায় তত বেশি ওজন বা ভারী হতে থাকে। দুশ্চিন্তা সহজে করো না তোমরা। এটিকে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে সবসময়।

মোটিভেশনাল গল্পের সিক্ষা

আমাদের কারণে দুশ্চিন্তা নিয়ে ঘুমাতে যাওয়া উচিত না। ঘুমানোর আগে সকলকে দুশ্চিন্তা বাদ দিয়ে ঘুমানো উচিত।

একটি অন্যরকম মোটিভেশনাল গল্প।

একটি বাচ্চা ছিল যিনি নামটি হলো থমাস এডিসন। তিনি কখনোই স্কুলে পড়তে ভালোবাসতেন না এবং পরীক্ষার জন্য যতই পড়তে চেষ্টা করতেন ততই খুব নষ্টপ্রকৃতি হতেন। একদিন তিনি উঠে দেখেন তার মাতা আলোচনা করছেন যে তার ছেলে বাকি শিক্ষার সাথে নষ্টপ্রকৃতি অতিরিক্ত সময় ব্যয় করছে।পরে থমাস এডিসন জ্ঞান হারায় না, বরং তিনি নিজের উদ্দেশ্য চিন্তা করে একটি নতুন উদ্যোগ শুরু করেন। তিনি আর কখনোই স্কুলে পড়তে চাননি কিন্তু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি প্রেমিক হয়ে তিনি নতুন ও নতুন উদ্যোগ নিয়ে দেশকে উন্নয়ন করতে থাকেন। তিনি প্রথম বিদ্যুৎ বোমার উদ্ভাবন করেন যা পরিস্থিতি বদলে দেয় ও তার জীবনকে বিপর্যস্ত করে দেয়। থমাস এডিসনের প্রতিবাদ ছিল, “আমি হাজার বার অসফল হয়েছি।

ছোট গল্পটির মূলনীতি

জীবনে হাজার বার ব্যর্থ হলে কখনো নিজের লক্ষ্য থেকে সরে যাওয়া যাবে না। চেষ্টা করলে সফল একদিন হবেই।

Leave a Reply

Shopping cart

0
image/svg+xml

No products in the cart.

Continue Shopping
x